• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণের ঘটনায় এইচডব্লিউএফের উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ                    রাঙামাটিতে আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস পালিত                    রাঙামাটি আইনজীবী সমিতির সভাপতি শাহ আলম ও সম্পাদক শিশুমনি চাকমা নির্বাচিত                    বাঘাইছড়িতে প্রত্যান্ত এলাকা থেকে হাম লক্ষণ নিয়ে এক শিশু হাসপাতালে ভর্তি                    রাঙামাটি ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে দলীয় কার্যালয়ে তালা দিলো পদ বঞ্চিতরা                    পিসিপির নেতৃত্বে জিকো ও অন্তর চাকমা                    পার্বত্য সমস্যাকে হালকাভাবে না দেখে গুরুত্বের সহকারে দেখার জন্য আহ্বান উষাতন তালুকদারের                    Expression of Interest(EOI) ASHIKA                    আশিকা বিজ্ঞাপণ                    পাহাড়ে নারীদের অধিকার ও ক্ষমতায়নে লড়াই করছেন সূচরিতা চাকমা                    Request for Quotation (RFQ)                    Hill Flower Vacancy Announcement                    Request for Quotation (RFQ)                    হিলফ্লাওয়ার                    আশিকা টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি                    বিলাইছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ৩টি ঘর পুড়ে ছাই                    Request For Quotation Notice                    ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান                    ফারুয়া থানা পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার                    Vendor Enlistment Notice                    জেলা পর্যায়ে আঞ্চলিক পরিষদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় সভা                    
 
ads

২০১৬ সালের মানবাধিকার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ইউপিডিএফ

ডেস্ক রিপোর্ট : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 04 Jan 2017   Wednesday

ইউনাইটেড পিপল্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এর মানবাধিকার পরিবীক্ষণ সেল ২০১৬ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম মানবাধিকার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।

 

২০১৬ সালেই ইউপিডিএফের কমপক্ষে ৭৩ জন নেতা-কর্মী ও সমর্থক গ্রেফতার,২১ জন পাহাড়ি নারী ও শিশু ধর্ষণ, ধর্ষণ প্রচেষ্টা অথবা অপহরণের শিকার হয়েছেন এবং ৯টি হামলার শিকার হয়েছে রিপোর্টে দাবী করা হয়েছে।

 

বুধবার ইউপিডিএফের মানবাধিকার পরীবিক্ষণ সেলের সদস্য দ্বিতীয়া চাকমার স্বাক্ষরিত বিভিন্ন গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বার্তায় বলা হয়, জনগণের গণতান্ত্রিক ও মৌলিক মানবাধিকার নির্বাসিত। বেআইনী আটক, গ্রেফতার, শারীরিক নির্যাতন, গ্রামে গ্রামে হানা ও বাড়ি ঘরে তল্লাশী, হয়রানি, মিথ্যা মামলা, সভা সমাবেশে বাধা দান, হামলা, নারী ধর্ষণ, ভূমি বেদখল,সাম্প্রদায়িক হামলা ইত্যাদি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা অহরহ ঘটে চলেছে।

 

প্রেস বার্তায় দাবী করা হয়, যেখানে ১৯৪৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ি বাঙালির অনুপাত ৯৮ : ২, বর্তমানে তা ৫২:৪৮ এ দাঁড়িয়েছে। তবে পার্বত্য চুক্তির পর গেল ১৯ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রামে শহরাঞ্চলে এবং বিশেষত জেলার পৌর সভাগুলোতে জনমিতির ভারসাম্য মৌলিকভাবে বদলে গেছে। উদহারণ স্বরূপ খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি পৌরসভায় চুক্তির পূর্বে পাহাড়িরা ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ। বর্তমানে এই দুই পৌরসভায় দুই তৃতীয়াংশ ভোটার হলেন বাঙালি। বান্দরবান পৌর সভায় এই অনুপাত আরও বেশী, সেখানে প্রায় পাঁচ ভাগের চার ভাগই বাঙালি। এই অনুপাতগুলো যে কোন জাতির জনগণকে নিজের অস্তিত্ব সম্পর্কে শঙ্কিত না করে পারে না। 

 

প্রেস বার্তায় অভিযোগ করে আরো বলা হয়,সরকার মুখে পাহাড়ি জনগণের অধিকারের কথা বললেও বাস্তবে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানবাধিকার পরিস্থিতি ব্যাপারে যথেষ্ট উদাসীন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কখনও কোনব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে আজ পর্যন্ত শোনা যায়নি। গেল ২০ বছরেও কল্পনা চাকমার অপহরণকারীদের বিচার ও শাস্তি হয়নি। মানবাধিকার লঙ্ঘন অব্যাহত থাকার এটাও অন্যতম কারণ।

--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

 

ads
ads
এই বিভাগের সর্বশেষ
আর্কাইভ