• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
আশিকা টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি                    বিলাইছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ৩টি ঘর পুড়ে ছাই                    Request For Quotation Notice                    ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান                    ফারুয়া থানা পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার                    Vendor Enlistment Notice                    জেলা পর্যায়ে আঞ্চলিক পরিষদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় সভা                    দরপত্র বিজ্ঞপ্তি                    রাঙামাটিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত                    বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রইফের সমাধিতে বিজিবির মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পন                    রাঙামাটিতে টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ                    পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হওয়ার আহবান                    আগামী ক্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জেএসএস অংশ নিচ্ছে                    রাঙামাটিতে মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ও ডিপ্লোমা ফার্মামিষ্টদের কর্মবিরতি পালন                    ৯৯নং রাঙামাটি আসনের বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ানের মতবিনিময় সভা                    নবাগত জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়                    শিক্ষক নিয়োগে কোটা বৈষম্যের প্রতিবাদে রাঙামাটিতে বৃহস্পতিবার থেকে ৩৬ ঘন্টার হরতাল                    তরুণ কবি ম্যাকলিন চাকমার একগুচ্ছ কবিতা                    সাজেকে মোবাইল নেটওয়ার্ক ফের চালুতে স্বস্তি                    চ্যাম্পিয়ন বিলাইছড়ি রাইংখ্যং একাদশ                    ফেন্সি স্কিন কেয়ার প্রোডাক্টস’র রাঙামাটিতে গ্র্যান্ড ওপেনিং                    
 
ads

বান্দরবানের সফল মুরগী খামার চাষী বিজয় কুমার তংচংগ্যা

ক্যমুইঅং মারমা : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 24 Aug 2014   Sunday

মুরগীর খামার করে দিন বদলে গেছে বান্দরবানের আদিবাসী যুবক বিজয় কুমার  তংচংগ্যার। মুরগীর খামার করে তিনি আজ সংসারের সচ্ছলতার মুখ দেখেছে। মুরগীর খামার করেই তিনি বর্তমানে লাখোপতি। অন্যান্য ব্যাবসা শুরু করে যখন সফল হতে পারছিলেন না, তখনই সিদ্ধান্ত নেন মুরগীর খামার করার। ২০১০ সালে বান্দরবানের পশ্চিম বালাঘাটা  পাড়ায় তৈরি করেন মুরগীর খামার রংরাং পোলট্রি ফার্ম। প্রথমে ১লাখ পঞ্চাশ টাকায় এক হাজার মুরগী নিয়ে একটি টিনশেড তৈরি করে শুরু করেন খামারের কার্যক্রম। শুরুতে তাকে লাভের বদলে গুনতে হয়েছে লোকসান। এরপর লাভের মুখ দেখতে থাকেন তিনি। আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। বিজয় কুমার তংচংগ্যার জানান, লেখাপড়া শেষ করার পর তিনি বেকার ছিলেন। তার কিছুই ছিল না।সোনার হরিণ নামে চাকুরি পাওয়ার মত কোন অর্থ ছিল না তার। ছিল না বড় কোন ব্যবসা-বানিজ্য করবার মূলধন। হতাশাগ্রস্ত জীবন যাপন করতেন। অবশেষে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে প্রশিক্ষণ নিয়ে ২০১০ সালে ১লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করেন এক হাজার মুরগী নিয়ে রংরাং পোলট্রি ফার্ম নামে একটি মুরগীর খামার। শুরুতে তাকে অনেক লোকসান গুনতে হয়েছে। তবুও হাল ছাড়েননি। পরে বাবার কাছ থেকে আরও দুই লাখ টাকা ও কয়েক বন্ধু থেকে দুই লাখ টাকাসহ মোট চার লাখ টাকা মূলধন নিয়ে আবার শুরু করেন মুরগীর খামার।  শুরুতে কিছু সমস্যা হলেও বর্তমানে আর্থিকভাবে প্রচুর লাভবান হচ্ছেন। এক হাজার মুরগী দিয়ে শুরু করা বিজয় তংচংগ্যার এখন তার খামারে এখন ৭ থেকে ৮ হাজার মুরগী রয়েছে। সরেজমিন মুরগী খামার পরিদর্শনের সময় এই প্রতিনিধিকে বিজয় কুমার তংচংগ্যার আরও জানান, চার লাখ টাকার মুরগী খামারে প্রতি ২৫ দিন বয়স থেকে মুরগী বিক্রি শুরু হয়। প্রতি ব্যাচ সমাপ্ত হয় ৪৫ থেকে ৬০দিনের মধ্যে। মুরগী বিক্রি করে কর্মচারীদের বেতন ভাতা দেয়ার পর প্রতিমাসে তিনি মুনাফা পান চল্লিশ হাজার টাকা। এটি পর্যায়ক্রমে বাড়তে থাকে তার উপার্জন। সংসারও চলছে বেশ ভাল। মুরগী খামার বদলে দিয়েছে তার ভাগ্য। সরকারী কোন পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ভবিষ্যতে একটি দেশী মুরগীর খামার করারও পরিকল্পনা রয়েছে তার। বান্দরবানে ইতোপূর্বে কোন আদিবাসী যুবক মুরগী খামার করেনি। পরিশ্রমের সফলতা দেখে অনেকেই শুরু করছে মুরগী খামার। বর্তমানে বিজয় তংচংগ্যার মুরগী খামারে ৬জন কর্মচারী রয়েছে। তাদের সংসারও চলছে বেশ ভালই। বিজয় তংচংগ্যার খামারের কর্মচারী মোঃ মিজান ও প্রদীপ তংচংগ্যা জানান, তাদের সঙ্গে বিজয় কমুার তংচংগ্যা খামারে এসে সমান পরিশ্রম করেন। এই খামারে কাজ করে তাদের ভালই সংসার চলছে। পাশাপাশি ছেলে-মেয়েদের লেখা পড়া করাতে পারছেন। এই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বিজয় কুমার তংচংগ্যার মুরগী খামার পরিদর্শন করে প্রশংসা ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোমিনুর রশিদ আমিন, অতিরিক্ত জেলা পশাসক(সার্বিক) মোঃ আবু জাফর, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা সুনীল বরণ দাশ,জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ অন্য সরকারি কর্মকর্তারা। জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা সুনীল বরণ দাশ বলেন, বিজয় কুমার তংচংগ্যার পরিকল্পনা ও তার এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। প্রাণী সম্পদ বিভাগের মতে, বিজয় তংচংগ্যার আদিবাসীদের মধ্যে একজন মডেল ও সফল খামারী। তাকে সরকারীভাবে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা গেলে এলাকায় বেকার সমস্যা দুর করার পাশাপাশি আয়েরও নিশ্চয়তা দিতে পারবে তার এই মুরগীর খামার।

–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

সংশ্লিষ্ট খবর:
ads
ads
এই বিভাগের সর্বশেষ
আর্কাইভ