বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বুধবার রাঙামাটি শহরের মাঝের বস্তীবাসীর উদ্যোগে র্যালী, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা(সন্তু লারমা) পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারকে আবারও সময়সূচি ভিত্তিক কর্মসূচি ঘোষনা দাবি জানিয়েছেন।
পার্বত্য বান্দরবানে বিজু, সাংগ্রাইং,বৈসুক, বিষু বিহু উৎসবের তৃতীয় দিনে মঙ্গলবার উৎসবমূখর পরিবেশেবে উদযাপিত হচ্ছে।
আনন্দ শোভাযাত্রা, পান্তা ইলিশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার রাঙামাটিতে বাংলা নববর্ষ পালিত হয়েছে।
মারমা সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব সাংগ্রাইং উদযাপনে সফল ও সার্থক কামনা করে মঙ্গলবার খাগড়াছড়িতে র্যালী শোভা যাত্রা বের করা হয়।
একুশে টেলিভিশনের পঞ্চদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়ের বিজু, সাংগ্রাইং, বৈকুক, বিষু বিহু আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপনের সুবিধার্থে সরকার চার দিনের সরকারী ঐচ্ছিক ছুটি অনুমোদন করেছে ।
বান্দরবানে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মঙ্গলবার সাংগ্রাই,বৈষু,বিযু ও বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে।
রাঙামাটিতে আলোচনা সভা, র্যালী ও কেট কাটার মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার রাঙামাটিতে একুশে টেলিভিশনের পঞ্চদশ প্রতিষ্ঠা বাষির্কী উদযাপিত হয়েছে।
‘সাম্প্রদায়িকতা-প্রতিহিংসা-অন্ধতার কালিমা ধুয়ে মুছে যাক মৈত্রি পানি বর্ষণে’ এ শ্লোগানে সোমবার বর্ণাঢ্য র্যালির মধ্য দিয়ে আদিবাসীদের ৫দিন ব্যাপি সাংগ্রাইং-বৈসাবি বর্ষবরণ উৎসব শুরু হয়েছে বান্দরবানে।
বিঝু, সাংগ্রাইং, বৈসুক বিহু বিষু এবং বাংলা নববর্ষের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।
রোববার কাপ্তাইয়ে রাঙামাটি জেলা পরিষদের নতুন নিয়োগকৃত সদস্য থোয়াইচিং মারমা ও শান্তনা চাকমাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব বিজু, সাংগ্রাইং, বৈসুক, বিষু, বিহু-এর আনন্দে ভাসছে পার্বত্য বান্দরবান।