টানা ভারী বৃষ্টিপাতে কারণে রাঙামাটিতে ১২৬টি স্থানে ছোট বড় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব ঘটনায় কেউই হতাহত হয়নি। বৃহস্পতিবার রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের সাপছড়িতে স্থানে পাহাড় ধসে গিয়ে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
অন্যদিকে, জেলার ২০২৪টি আশ্রয় কেন্দ্রের ১০০টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ২৬৫ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চার দিনে টানা বর্ষনে রাঙামাটি সদরে ১০টি, বাঘাইছড়িতে ৩২টি, কাপ্তাইয়ে ১৫টি, নানিয়ারচরে ২টি,কাউখালীতে ৩০টি, বিলাইছড়িতে ৩৭টি স্থানে ছোট বড় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। জেলার ২০৪টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে ১০০টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৪হাজার ২৬৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন ঝুকিতে থাকা লোকজন।
এদিকে, বৃহস্পতিবার সকালের দিকে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের সাপছড়ি এলাকায় পাহাড় ধসে প্রায় আড়াই ঘন্টা যানবাহন চলা বন্ধ ছিল। পরে সড়ক ও জনপথ বিভারে লোকজন মারি সরিয়ে ফেললে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়। চন্দ্রঘোনা-বাঙালহালিয়া সড়কের পাহাড় ধসে পড়ায় প্রায় ৯ঘন্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। দীঘিনালা-মারিশ্যা সড়কের ফাটল দেখা দেয়ায় যানবাহল বন্ধ রয়েছে। রাজস্থলী উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ির অরুনোদয় পয়েন্টের সীমান্ত সড়কে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও বিভিন্ন ছোট বড় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটলেও হতাহত হয়নি। ভারী বৃষ্টিপাতে কারণে জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে।
অপরদিকে, টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে বাঘাইছড়ি পৌর সভা, বিলাইছড়ি ফারুয়া ইউনিয়ন, জুরাছড়ি উপজেলার মৈদং ইউনিয়নে, রাঙামাটি সদরের সাপছড়ি ইউনিয়নে, বরকল উপজেলার ৪নং ভূষনছড়া ইউনিয়নের ঠেগা এলাকায় খুব্বাং গ্রামসহ অনন্তপক্ষে ৩০টি গ্রামের মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছেন।
জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন,জেলার মোট ২০৪টি আশ্রয় কেন্দ্রের মধ্যে ১০০টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৪হাজার ২৬৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন। পানি বন্দির সংখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.