• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
জুম্ম শিশুকে ধর্ষনের প্রতিবাদে পিসিপি ও এইচডব্লিউর রাঙামাটিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ                    রাঙামাটিতে অসহায় কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিল জেলা ছাত্রদল                    রাঙামাটিতে এক হাজার পিচ ইয়াবাসহ আটক ৩                    সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণের ঘটনায় এইচডব্লিউএফের উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ                    রাঙামাটিতে আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস পালিত                    রাঙামাটি আইনজীবী সমিতির সভাপতি শাহ আলম ও সম্পাদক শিশুমনি চাকমা নির্বাচিত                    বাঘাইছড়িতে প্রত্যান্ত এলাকা থেকে হাম লক্ষণ নিয়ে এক শিশু হাসপাতালে ভর্তি                    রাঙামাটি ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে দলীয় কার্যালয়ে তালা দিলো পদ বঞ্চিতরা                    পিসিপির নেতৃত্বে জিকো ও অন্তর চাকমা                    পার্বত্য সমস্যাকে হালকাভাবে না দেখে গুরুত্বের সহকারে দেখার জন্য আহ্বান উষাতন তালুকদারের                    Expression of Interest(EOI) ASHIKA                    আশিকা বিজ্ঞাপণ                    পাহাড়ে নারীদের অধিকার ও ক্ষমতায়নে লড়াই করছেন সূচরিতা চাকমা                    Request for Quotation (RFQ)                    Hill Flower Vacancy Announcement                    Request for Quotation (RFQ)                    হিলফ্লাওয়ার                    আশিকা টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি                    বিলাইছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ৩টি ঘর পুড়ে ছাই                    Request For Quotation Notice                    ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান                    
 
ads

রাঙামাটিতে শুরু হয়েছে দুদিনব্যাপী বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা গণসংগীত উৎসব

স্টাফ রিপোর্টার : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 08 Jun 2015   Monday

সোমবার থেকে দুদিন ব্যাপী  রাঙামাটিতে  শুরু হয়েছে ব্যাপী প্রথম বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা গণসংগীত উৎসব।

ছিড়ে ফেল দৃঢ় হাতে চক্রান্তের জাল শ্লোগানকে সামনে রেখে রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনষ্টিটিউট মিলনায়তনে উৎসবের উদ্বোধন করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস। প্রধান অতিথি ছিলেন চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিষ্টার দেবাশীষ রায়। উৎসব উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক সুনীল কান্তি দে-এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ গণসঙ্গীত সমন্বয় পরিষদের সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য ফকির সিরাজ। স্বাগত বক্তব্যে রাখেন উৎসব উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব কালায়ন চাকমা। 

উৎসবে পার্বত্য তিন জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং ঢাকা থেকে মোট ৭টি সাংস্কৃতিক দল অংশ নিয়েছে। প্রথম দিনে সুরনিকেতন, গিরিসুর শিল্পী গোষ্ঠীসহ ঢাকা থেকে আগত সাংস্কৃতিক দল সংগীত পরিবেশন করে।

উদ্ধোধকের বক্তব্যে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি  গোলাম কুদ্দুস বলেন, গণ মানুষের অধিকারের জন্য যে সংগ্রাম তা হল গণসংগীত। সংস্কৃতি অন্যায়ের সাথে কোন অপোষ করে না। করোর মুখাপেক্ষি নয়। সংস্কৃতি কর্মীরা বিনোদন কর্মী হতে যায় না। সংস্কৃতি কর্মী হিসেবে থাকতে চায়। সম্পাদিত পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন চাই উল্লেখ করে বলেন, পার্বত্য চুক্তি কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে তা সংখ্যা আমরা জানতে চায় না। আমরা পার্বত চুক্তির পুরোপুরি বাস্তবায় চায়। পার্বত্য চট্টগ্রামের যে সব জনগোষ্ঠী রয়েছেন তাদের আদিবাসী বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী  নামেই ডাকি না কেন তাদের বিকশিত করার দায়িত্ব হচ্ছে রাষ্ট্রের। তিনি জাতি ধর্ম নির্বিশেষ সকলকে গণসংগীত এবং সংস্কৃতি নিয়ে ইতিবাচক ভুমিকা রাখার জন্য আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চাকমা রাজা ব্যারিষ্টার দেবাশীষ রায় বলেন,গণসংগীত হচ্ছে মানুষের ঐতিহ্য কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে ঠিকিয়ে রাখার চর্চা করা। ভাষা অধিকারের সংগ্রাম থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সংগ্রামের ক্ষেত্রে গণসংগীতের ভুমিকা ছিল।  তিনি  আরও বলেন, মানুষের সামষ্টিক সত্ত্বা ঐতিহ্য ও অধিকার নিয়ে কাজ করে তা হল গণসংগীত। পার্বত্য চট্টগ্রামে  বিভিন্ন অধিকার নিয়ে পাহাড়ী বা জুম্ম জাতির রয়েছে তাদের স্ব-স্ব ভাষায় রচিত হয়েছে গণসংগীত।  বাংলায় যেটা বলা হচ্ছে গণসংগীত। সেই গণসংগীত অন্যান্য জনগোষ্ঠীর সংগীত শিল্প রয়েছে সেগুলো কতটুকু এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

তিনি জাতীয় পর্যায়ের গণ সংগীত অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিনিধিত্ব থাকে এবং প্রগতিশীল ভূমিকা নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং সমতলের আদিবাসীদের স্বকীয়তা, ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি যথাযথভাবে উঠে আসে তার আশা প্রকাশ করেন।

গণসংগীত সাধারনত: গ্রামের দিক থেকে এসেছে এবং শহরের আধুনিক সংগীত নিয়ে থাকে উল্লেখ তিনি বলেন, এ গণসংগীতের অনুষ্ঠান গ্রামের করতে পারলে ভালো হত। কিন্তু যোগাযোগের সমস্যার কারণে গ্রামে যাওয়া সম্ভব হয় না। তবে গ্রামীণ পরিবেশের এ গণসংগীত অনুষ্ঠান করতে পারলে ভাববিনিময় ও সংগীত রচনা করাসহ গ্রামের মানুষকে সম্পৃক্ত যেতো। কিন্তু যোগাযোগের সমস্যার কারণে শহরে এসব অনুষ্ঠান করতে হচ্ছে। তিনি এ উৎসবের মাধ্যমে তিন পার্বত্য জেলায় গণসংগীতের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য পৌঁছে দেয়ার আহ্বান জানান।   

--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিঅার.

 

 

 

ads
ads
আর্কাইভ