• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
কাপ্তাই হ্রদে সাড়ে ১৩ কিলোমিটার সাঁতার প্রতিযোগিতা                    বাদলছড়ি জনকল্যাণ বৌদ্ধ বিহারে দানোত্তম কঠিন চীবর দান                    সাজেকের পরিস্থিতি নিরসনে তিন সদস্যর কমিটি,সোমবার আন্দোলনকারীদের সাথে বৈঠক                    রাঙামাটিতে প্রবারণা পূর্নিমা উদযাপন                    বিলাইছড়িতে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন                    বৃহস্পতিবার থেকে ফের সাজেকে সড়ক অবরোধের ডাক                    বিলাইছড়িতে মণ্ডপ পরিদর্শনে জোন কমান্ডার                    মিথ্যা তথ্য দিয়ে গুজবে বিশৃঙ্খলার ফাঁদে পা না দেয়ার আহ্বান পার্বত্যপ্রতিমন্ত্রী                    সাজেক ভ্রমণে পর্যটকদের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল প্রশাসন                    বিলাইছড়িতে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধন                    বিলাইছড়িতে দুস্থ ৬ পরিবারের মাঝে টেউটিন ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান                    দুর্যোগ প্রশমন দিবসে বিলাইছড়িতে আলোচনা সভা                    শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাঙামাটি রিজিয়নের নিরাপত্তা সমন্বয় সভা                    আশিকা-উন্মুক্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি                    আশিকা-উন্মুক্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি                    রাবিপ্রবিতে লিঙ্গুইস্টিকস অ্যান্ড সিএইচটি ল্যাঙ্গুয়েজেস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার অনুমোদন                    সাজেক পর্যটন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষনা করেছে জেলা প্রশাসন                    রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেল হাজারও মানুষ                    উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও সরকারি চাকুরিতে কোটা পুর্নবহালের দাবিতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ                    বিলাইছড়িতে মিডওয়াইফ ও নার্সিং প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ                    রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লিগ ফুটবলে বিলাইছড়ি উপজেলা দলের শিরোপা লাভ                    
 
ads

ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় নিজ গৃহে ফিরতে পারছে না,কাপ্তাইয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ৪০ পরিবারের কি হবে?

কাপ্তাই প্রতিনিধি : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 03 Jul 2017   Monday

কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ৪০ পরিবারের কি হবে? তাদের এখন কোথায়, যাবে কোথায়, তাদের ঠিকানা কোথায় হবে। এ চিন্তায় পরিবারগুলো অস্থির অবস্থায় দিনযাপন করছেন। 

 

গত মাসে টানা বর্ষনে কাপ্তাই এলাকার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধ্বস ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তখন পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্থ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত পরিবারগুলোকে রাখার জন্য উপজেলায় ৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আশ্রয়কেন্দ্র থেকে অধিকাংশ পরিবারগুলো নিজ নিজ বসতঘরে চলে গেলেও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত ৪০টি পরিবার এখনও কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এসব পরিবার কাপ্তাই লগ গেইট ও নতুন বাজার এলাকার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাস করতো। এদের স্থায়ী পুর্নবাসনের জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট অনেক লেখালেখি হয়। কিন্তু তাতে কোন কাজ হয়নি। সর্বশেষ গতকাল রোববার উপজেলা পরিষদে ৪০টি পরিবারকে পুর্নবাসনের জন্য এক জরুরী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ দিলদার হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার তারিকুল আলম, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি অংচুইছাইন চৌধুরী, কাপ্তাই বন রেঞ্জ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম, কাপ্তাই থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ নুর মোহাম্মদ, কাপ্তাই ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌঃ আব্দুল লতিফ সহ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা শুরু হবে বিধায় এসব পরিবারগুলোকে উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে আপাতত সরিয়ে বন বিভাগের পরিত্যাক্ত ভবন, কাপ্তাই ১০ শয্যা হাসপাতালের পরিত্যাক্ত ঘর, জাকির হোসেন সমিলের পিছনের পরিত্যাক্ত ঘর, বিএফআইডিসি ক্লাবে রাখা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।


এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ দিলদার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা বন বিভাগের বিভিন্ন পরিত্যাক্ত জায়গায় এসব পরিবারগুলোকে স্থায়ীভাবে পুর্নবাসনের জন্য যে কোন শর্তের বিনিময়ে বন বিভাগকে প্রস্তাব দিয়েছি। কিন্তু স্থানীয় বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ বলেন, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের লিখিত নির্দেশ ব্যতিত তারা কোথাও এসব পরিবারকে বসবাসের অনুমতি দিতে পারবে না।


তিনি আরো বলেন, পরিবারগুলোকে পুর্নবাসনের জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য ১৩ই জুন টানা বর্ষনে পাহাড় ধ্বসের ঘটনায় ১৮ জনের প্রাণহানি ও ৬৫ জন আহত হয়। এছাড়া ঘরবাড়ি ও সহায় সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। ক্ষতিগ্রস্থ লোকজনকে সরিয়ে আনা হয় উপজেলার ৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে। এর মধ্যে মুরালিপাড়ায় ৪০ পরিবার, রাইখালীতে ২০ পরিবার ও কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৫০ পরিবার আশ্রয় নেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আশ্রয়কেন্দ্র থেকে অধিকাংশই নিজ নিজ বসতঘরে চলে যায়। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বিধায় ৪০টি পরিবার এখনও কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছে বলে জানান তিনি।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

 

ads
ads
আর্কাইভ