রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেছেন, পাহাড়ের কৃষিজীবিদের জুমচাষের পাশাপাশি তুলা চাষে উদ্বুদ্ধ করতে পারলে এ অঞ্চলে তুলা উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। তিনি বলেন, বৃহৎ আকারে প্রকল্প গ্রহণ করে এ জেলায় কৃষিপণ্যের উৎপাদনের পাশাপাশি চাষীদের তুলা চাষেও উৎসাহিত করতে হবে। তুলা চাষে চাষীদের মন্ত্রণালয় থেকে ঋণও প্রদান করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৃহস্পতিবার রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত পরিষদেও নিয়মিত মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে পরিষদ চেয়ারম্যান একথা বলেন।
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ছাদেক আহমেদের পরিচালনায় সভায় পরিষদের সদস্য ও পরিষদের কর্মকর্তাসহ হস্তান্তরিত বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় পরিষদের হস্তান্তরিত বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ স্ব স্ব বিভাগের কার্যক্রম, সমস্যা ও মতামত তুলে ধরেন।
সভাপতির বক্তব্যে পরিষদ চেয়ারম্যান আরও বলেন স্থানীয় পর্যটন সেক্টরকে আগত পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করার জন্য জেলা পরিষদ থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, হস্তান্তরিত বিভাগের জায়গাগুলো দখলমুক্ত করতে পর্যায়ক্রমে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হবে। তিনি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীকে প্রতিটি উপজেলায় নষ্ট রিং ও টিউবওয়েলের তালিকা প্রেরণের নির্দেশ দেন এবং আগামী অর্থ বছরেই এগুলো মেরামতের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানান।
তিনি স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্দেশ্যে বলেন, রাঙামাটির জেনারেল হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনে মাষ্টার রোলে জনবল নিয়োগ করার বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের উপর জোর দেন। এছাড়া হস্তান্তরিত বিভাগীয় কার্যালয়ের সাইনবোর্ডে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নাম উল্লেখ করে সাইনবোর্ড টাঙ্গানোর জন্য বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নিদের্শ দেন।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.