• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
কাপ্তাই হ্রদে সাড়ে ১৩ কিলোমিটার সাঁতার প্রতিযোগিতা                    বাদলছড়ি জনকল্যাণ বৌদ্ধ বিহারে দানোত্তম কঠিন চীবর দান                    সাজেকের পরিস্থিতি নিরসনে তিন সদস্যর কমিটি,সোমবার আন্দোলনকারীদের সাথে বৈঠক                    রাঙামাটিতে প্রবারণা পূর্নিমা উদযাপন                    বিলাইছড়িতে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন                    বৃহস্পতিবার থেকে ফের সাজেকে সড়ক অবরোধের ডাক                    বিলাইছড়িতে মণ্ডপ পরিদর্শনে জোন কমান্ডার                    মিথ্যা তথ্য দিয়ে গুজবে বিশৃঙ্খলার ফাঁদে পা না দেয়ার আহ্বান পার্বত্যপ্রতিমন্ত্রী                    সাজেক ভ্রমণে পর্যটকদের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল প্রশাসন                    বিলাইছড়িতে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধন                    বিলাইছড়িতে দুস্থ ৬ পরিবারের মাঝে টেউটিন ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান                    দুর্যোগ প্রশমন দিবসে বিলাইছড়িতে আলোচনা সভা                    শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাঙামাটি রিজিয়নের নিরাপত্তা সমন্বয় সভা                    আশিকা-উন্মুক্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি                    আশিকা-উন্মুক্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি                    রাবিপ্রবিতে লিঙ্গুইস্টিকস অ্যান্ড সিএইচটি ল্যাঙ্গুয়েজেস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার অনুমোদন                    সাজেক পর্যটন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষনা করেছে জেলা প্রশাসন                    রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেল হাজারও মানুষ                    উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও সরকারি চাকুরিতে কোটা পুর্নবহালের দাবিতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ                    বিলাইছড়িতে মিডওয়াইফ ও নার্সিং প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ                    রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লিগ ফুটবলে বিলাইছড়ি উপজেলা দলের শিরোপা লাভ                    
 
ads

পাহাড়ে মৎস্য চাষ প্রকল্প বাস্তবায়নে জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগীদের অসন্তোষ!

স্টাফ রিপোটার, খাগড়াছড়ি : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 04 Jun 2018   Monday

পার্বত্য তিন জেলায় পাঁচ বছর আগে শুরু হওয়া মৎস্য বিভাগের এক প্রকল্পের শেষ সময়ে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি এবং সুবিধাভোগীদের কাছ থেকেই।

 

২০১২ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি শেষ হচ্ছে চলতি জুন মাসেই। প্রায় ৪৮ কোটি সরকারি টাকা ব্যয়ে তৈরি ৮২৮টি ক্রিক বা বাঁধের মাধ্যমে সৃষ্ট ৮৬৩ হেক্টর জলাশয়ে প্রতিবছর প্রায় ১৭০৬ মেট্টিন টন মাছ উৎপাদনের কথা ছিল। সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ তো দূরে থাক, এর ৭৫ শতাংশ জলাশয়ই এখন অপ্রয়োজনীয়,পরিত্যক্ত।

 

‘পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে মৎস্য চাষ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ’ নামের এই প্রকল্পের আওতায় রোববার জেলা পরিষদের মিলনায়তনে এক অবহিত করন কর্মশালায় জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগীরা প্রকল্প বাস্তবায়নে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

 

জেলা পর্যায়ে মৎস্য বিভাগের সবচেয়ে প্রভাবশালী কর্তৃপক্ষ ‘পার্বত্য জেলা পরিষদ’। আর সেই পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী কর্মশালাটিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পার্বত্য চুক্তির আলোকে মৎস্য বিভাগ জেলা পরিষদে ন্যস্ত। কিন্তু মৎস্য প্রকল্প গ্রহন,বাস্তবায়নে কোন কিছুতেই পরিষদকে অবহিত করা হয় না। শান্তিচুক্তি অনুয়ায়ী ও প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে পাহাড়ের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতে না পারলে চলে যান। এ প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রী পাহাড়ের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করার জন্য কাজ করছে। কিন্তু মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের দায়সারা মনোভাবে যদি কোনভাবে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি হয় কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।


কর্মশালায় দীঘিনালা উপজেলা চেয়াম্যান নব কমল চাকমা, মানিকছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান ¤্রাগ্য মারমা, গুইমারা উপজেলা চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মারমা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ প্রকল্পর উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।


মানিকছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় মানিকছড়ি উপজেলায় যেকটি ক্রিক ও মৎস্য বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে, তাতে সঠিক ও যথাযত তদারকি ছিল না। কাজ অসমাপ্ত রেখেই ঠিকাদার চুড়ান্ত বিল নিয়ে গেছেন। ফলে এসব প্রকল্প থেকে জনগণ কোন সুফল পাচ্ছেন না।


কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এটিএম কাউসার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ,এস,এম রাশেদুল হক, চট্টগ্রামের মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বজলুর রশিদ, পার্বত্য প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহমান,জেলা মৎস্য আবুল খায়ের মোঃ মোখলেছুর রহমান প্রমুখ।


পার্বত্য তিন জেলায় ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে মৎস্য চাষ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প’ (৩য় পর্যায়) চালু হয়েছিল কয়েক বছর আগে। পুকুর আর জলাশয়ের স্বল্পতার কারণে পিছিয়ে থাকা এ অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নই ছিল এ প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য।
গত ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ রাঙামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর, খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা ও রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা উপস্থিত ছিলেন। সে সভাতেও এ প্রকল্প উন্নয়ন বাস্তবায়নে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল।


এদিকে ৩য় পর্যায়ের প্রকল্পের অধিকাংশ কাজই বর্তমানে শেষ পর্যায়ে আছে। এর আগের দুই পর্যায়ে তেমন বড় কোনো কাজ না হলেও এবার তৃতীয় পর্যায়েই সবচেয়ে বেশি ক্রিক নির্মাণ করা হয়েছে।


ক্রিক নির্মাণের কাজ করেছেন, এমন একজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘কাজ পেতে জনৈক কর্মর্কতাকে ঘুষসহ চার আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র কর্মীদের নির্ধারিত হারের চাঁদা দেওয়ার পর কাজের মান আর কি থাকে, সেটা তো আপনারাই বুঝতে পারছেন!’’


এ ব্যাপারে প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ এস এম রাশেদুল হক বলেন, বিগত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে কোন ধরনের অবহিত করন কর্মশালার বরাদ্দ ছিল না,তাছাড়া গত প্রকল্প বাস্তবায়নের যে অভিযোগগুলো উঠে আসছে তা খতিয়ে দেখা হবে। আগামীতে প্রকল্প গ্রহন ও বাস্তবায়নে জনপ্রতিনিধিসহ পার্বত্য জেলার আইনানুযায়ী করার ব্যবস্থা করা হবে।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

 

 

ads
ads
আর্কাইভ