• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
করোনায় বরকলে কর্মহীন ও অসহায় পরিবারের মাঝে ইউএনডিপি                    পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া থমকে গেছে,পাহাড়ের মানুষ সম্পূর্ণ অনিশ্চয়তার জীবনযাপনে বাধ্য হচ্ছে                    বসুন্ধরা গ্রুপের অর্থায়নে রাঙামাটিতে পিসিআর ল্যাব উদ্বোধন                    করোনায় এক কোটি টাকার লোকসান নিয়ে সীমিত আকারে খুলছে রাঙামাটি পর্যটন                    রাঙামাটিতে আজ পিসিআর ল্যাব উদ্বোধন হচ্ছে                    জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাঙামাটিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত                    শেখ কামাল-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বরকলে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি                    রাঙামাটিতে শক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গরীব ও অসহায়দের এক বেলা আহারের আয়োজন                    বাংলাদেশকে ১০টি রেলের ইঞ্জিন দিল ভারত                    প্রিয় ফটিকছড়িবাসী: আজ এই দিনটাকে মনের খাতায় গেঁথে রেখো                    বরকলে দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ                    রাঙামাটিতে ফেসবুক লাইভ শো                    করোনায় রাঙামাটিতে আরো আক্রান্ত ১১জন, মোট আক্রান্ত ৬০২জন                    এখনই তদারকি না করলে রাঙামাটিতে করোনা মহামারি আকার ধারণ করতে পারে                    বরকলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী ও সাংস্কৃতিক সরঞ্জাম বিতরণ                    দুমদুম্যা ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সামগ্রি ঘরে ঘরে পৌছলো                    শিশু দুর্জয় বাঁচতে চায়                    লক্ষ্মীছড়ি বাজার বয়কটের হুমকি                    স্থানীয়ভাবে নির্মিত হাউজবোট এবং ইলেট্রিক বোট পরিদর্শন জেলা পরিষদ চেয়ারমানের                    লামায় পুকুরে ডুবে ৪ বছরের এক শিশুর মৃত্যু                    ২০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলো চট্টগ্রাম সরকারী কমার্স কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা                    
 

আমের মুকুলে ছেয়ে গেছে মহালছড়ির সফল চাষি হ্লাচিং মং এর বাগান

মিল্টন চাকমা, মহালছড়ি : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 14 Mar 2020   Saturday

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে আমের মুকুলে ভরে গেছে হ্লাচিং মং চৌধুরীর দেশি বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির আম বাগান। 

 

উপজেলার কাটামুড়া নামক ধুমুনিঘাট এলাকায় সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ১৫ শত ফুট সু-উচ্চ পাহাড়ে প্রায় ২০ হেক্টর জায়গায় তিনি গড়ে তুলেছেন মিশ্র ফলের বাগান। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন প্রকার বনজ ও বিলুপ্ত প্রজাতির গাছ সৃজন করেছেন। তার বাগানে প্রায় ২০ হাজার এর উপরে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছ রয়েছে ।


এই বাগানে রয়েছে বিচিত্র ফলজ গাছের সমারোহ। বিভিন্ন প্রজাতির ফলের মধ্যে আম একটি। এই বারে তার বাগানে ৭০ প্রজাতির আম গাছের মধ্যে গুটি কয়েক বাদে প্রায় সব প্রজাতির আম গাছেই মুকুল এসেছে। গত বছরের তুলনায় এবারে বেশি ফলনে আশাবাদী তিনি।


বিভিন্ন প্রজাতির আম গাছের মধ্যে তার সংগ্রহে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বারি-১ থেকে বারি- ১১ পর্যন্ত জাতের আম, এছাড়াও দেশি বিদেশি বিভিন্ন জাতের মধ্যে রয়েছে কিউজাই(থাই), পালমার(ফ্লোরিডা), জাম্বুরা আম(থাই), দোকমাই(থাই), রানী পছন্দ, রেড লেডী(ফ্লোরিডা), সূর্যো ডিম(থাই), ত্রিফলা, চৌফলা(ইঅট-৯), শ্রাবণী-১(ইঅট-১), শ্রাবণী-২(ইঅট-২), মাহেলেসা(ইঅট-১৪), গৌরমতী, ম্যট্রোস তোতা, আলফানসো, চোষা, পূর্ণা হাইব্রিড ও কেন্ট সহ প্রায় ৭০ প্রজাতির আম গাছ রয়েছে তার বাগানে।
বিভিন্ন ফলের মধ্য রয়েছে মালতা বারি-১, সূর্যমুখী কলা সহ বিভিন্ন জাতের কলা, ড্রাগন ফল, আনার ও ডালিম সহ বিভিন্ন রকমের ফলের গাছ।


হলাচিংমং এর সাথে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষিত বেকার যুবকরা যখন চাকরির পিছনে ছুটতে ব্যস্ত, তখন তার একটা স্বপ্ন ছিলো নিজে কিছু করার, তখনি তার মাথায় বুদ্ধি এলো বিজ্ঞানসম্মত ভাবে মিশ্র ফলের বাগান করলে কেমন হয়। যেই ভাবা সেই কাজ, পুরোদমে নিজ ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় শুরু করলেন বাগান গড়ার কাজ, তাও সুমদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫ শত সু-উচ্চ পাহাড়ে। ঝুঁকি নিয়ে ড্রাগন ফলের চাষ করে সাফল্য পাওয়ায় পুরো খাগড়াছড়ি জেলা তথা পার্বত্য চট্টগ্রামে চমক সৃষ্টি করেন। বর্তমানে তাঁর বাগানে চার হাজারের অধিক ড্রাগন ফলের গাছ রয়েছে।


এর পর তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি, একে একে সাফল্য আসতে থাকলো তাঁর। বাগানে বিভিন্ন প্রজাতির ফলের চারা সংগ্রহ করে চাষ করতে লাগলেন। গত বছর ড্রাগন ফল সহ বিভিন্ন জাতের বিদেশি আম বিক্রি করে যে টাকা পেয়েছেন তাতে বাগানের খরচ বাদ দিয়ে তিনি স্বচ্ছল ভাবেই চলতে পারতেছেন। উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার।


তাঁর এই উদ্যোগের ফলে তার বাগানে নিয়মিত প্রায় ২০/৩০ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
এই ছাড়াও তিনি যুব সমাজকে বিভিন্ন ভাবে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। বলা যায় বেকার যুবকদের আইডল এখন তিনি।


ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে তাঁর জামপ্লাজম সেন্টার করার পরিকল্পনা আছে। যাহাতে প্রকৃতি প্রেমিকরা তাঁর বাগানে এসে নতুন নতুন গাছের সাথে পরিচিত হতে পারবেন। বেকার যুবক তথা যারা বাগান করতে আগ্রহী তারা বিজ্ঞানসম্মত ভাবে কি ভাবে চাষ করে লাভবান হতে পারবেন সেই বিষয়ে জানার সুযোগ পাবেন এই সেন্টারের মাধ্যমে। এছাড়াও ভবিষ্যতে এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রি করার পরিকল্পনা আছে তাঁর। তাছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে যুব সমাজকে উজ্জীবিত করছেন, যাহাতে কেউ বেকার বসে না থেকে নিজের প্রচেষ্টায় কিছু করতে পারে।


তিনি আরো বলেন, সরকারের কাছ থেকে যদি প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সর্বাত্মক সহযোগিতা পান তা হলে তার স্বপ্ন দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন তিনি।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

এই বিভাগের সর্বশেষ
আর্কাইভ