• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
করোনা প্রতিরোধে দীঘিনালায় বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সেনাবাহিনীর প্রচারণা                    রাঙামাটিতে চম্পক নগর যুব সমাজের উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ                    খাগড়াছড়িতে ১’শ ৩০ পরিবারকে লক্ষ্মী চাকমা’র ত্রাণ সহায়তা                    রাঙামাটিতে অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ তুলে দিলেন দীপংকর তালুকদার এমপি                    দীঘিনালায় অসহায় মানুষের পাশে ইউপিডিএফ গণতন্ত্র                    কাপ্তাইয়ে যুবলীগ নেতা খুনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন দীপংকর তালুকদার এমপি                    করোনায় প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে রাঙামাটিতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে                    মহালছড়িতে কর্মহীন মানুষকে মনাটেক যাদুগানালা মৎস্য সমিতির খাদ্য সামগ্রী বিতণ                    বিলাইছড়িতে দুই শতাধিক লোকজনদের অর্থ সহায়তা প্রদান করেছে জেলা পরিষদ                    রাঙামাটিতে নতুন ৪ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে, ছাড়পত্র পেয়েছেন ১০২ জন                    বন্দুকভাঙ্গায় দুশ দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ                    করোনায় কর্মহীন মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন বলাকা ক্লাব                    তিন পার্বত্য জেলায় পাহাড়ীদের প্রধান সামাজিক উৎসব পালনে স্থগিতের আদেশ                    লামায় তামাক কোম্পানী তামাক ক্রয় না করায় চাষীদের ঘরে ঘরে কান্না চলছে                    কাপ্তাইয়ে ২ শতাধিক পরিবারের মাঝে জেলা পরিষদের ত্রাণ বিতরণ                    খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন                    কাপ্তাইয়ের দুর্বৃত্তদের গুলিতে ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি নিহত                    দীঘিনালায় কর্মহীন ও গরীবদের পাশে দাড়ালেন বাসন্তী চাকমা এমপি                    বরকলে কর্মহীন পরিবারের মাঝে জেলা পরিষদের ত্রাণ বিতরণ                    রাঙামাটিতে ন্যাযমূল্যে টিসিবির নিত্যপন্য সামগ্রী বিক্রি শুরু                    রাঙামাটিতে হোম কোয়ারেন্টাইনে ৯২ জন                    
 

আলীকদমে কৃষি পণ্য রপ্তানিতে ট্যাক্সে নানান ভোগান্তিতে কৃষকরা উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছে!

এস,এম,জুয়েল,আলীকদম(বান্দরবান) : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 30 Aug 2017   Wednesday

বানদরবানের লামা-আলীকদমসহ পার্বত্যাঞ্চলের সবজি বৈদেশিক মুদ্রার্জনে ভূমিকা রাখছে। । দেশে ধারাবাহিকভাবে কৃষি পণ্যের রপ্তানি আয় বাড়ছে। তবে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানিতে ট্যাক্সের নানান ভোগান্তির কারণে কৃষকরা উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছে।

 

অনুসন্ধ্যানে জানা গেছে, পার্বত্যাঞ্চলের পাহাড়ি ঢালু জমি মৌসুমি সবজি চাষের উর্বর ক্ষেত্র। এখানে বিষমুক্ত ও ক্যামিকেল বিহীন সবজি চাষ সম্ভব। দেশের আর কোথাও এই ধরণের প্রাকৃতিক উপযোগিতা ও অনুকুল সুযোগ কম রয়েছে। এসব সম্ভাবনার কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাহাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির সবজি চাষে অনেকে বিনিয়োগে উৎসাহি হচ্ছেন।

 

স্থানীয় বিনিয়োগকারী মন্জুর আলম জানান, তিনি সম্পূর্ন অর্গানিক পদ্ধতি ব্যবহার করে এখানে পেপে চাষ করেন। তার এসব পেপে বিদেশে সরবরাহের জন্য একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। কিন্তু স্থানীয়ভাবে ট্যাক্স বিড়ম্বনায় তিনি এ চাষে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছেন। 

 

তিনি আরো জানান,পেপেসহ আরো কয়েকটি বিদেশে রপ্তানিযোগ্য কৃষি ফসল এখানে উৎপাদনের ভালো পরিবেশ রয়েছে। পরিবহনকালে ট্যাক্স আদায়ে হয়রানি, সড়ক মহাসড়কে টুল/ ট্যাক্স আদায়ে হয়রানির কারণে তিনি ৩/৮ লাখ টাকা লোকসান দিয়ে এ ব্যবসা থেকে সরে যান। তার মতে এসব বন্ধ হলে পার্বত্যা এলাকায় উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিভিন্ন দেশে বাজারজাত করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।

 

জানা যায়, দেশের রপ্তানি আয় ২০২১ সালের মধ্যে ৬ হাজার কোটি ডলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে রপ্তানি নীতি ২০১৫-২০১৮ এর অনুমোদন দিয়েছে সরকারের অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। প্রস্তাবিত রপ্তানি নীতিতে রপ্তানিকে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা প্রদান, সহজ ও স্বল্পসুদে ঋণের ব্যবস্থা, চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরকে আধুনিকায়নসহ বেশ কিছু নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বলা হয়েছে ‘নতুন এই রফতানি নীতি চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকেই কার্যকর বলে বিবেচিত হবে’। প্রস্তাবিত রপ্তানি নীতিতে যে সাতটি বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে কৃষিজাত পণ্য ও ভেষজ সামগ্রী রয়েছে।

 

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, গেল ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এ খাতে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, ৬০ কোটি ৮০ লাখ। কিন্তু বৈরি আবহাওয়ার পরে এই লক্ষমাত্রা অতিক্রম করেছে। এসব পণ্যের উপর টুল/ ট্যাক্স আদায়ে নিয়ম মেনে সহায়তা করা হলে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে দ্বিগুন লক্ষ্যার্জিত হবে বলে মনে করেন সংশিষ্ট বিনিয়োগকারীরা।

 

কৃষিবিদদের মতে পার্বত্য এলাকার উর্বর মাটি সব চাষের অনুকুল পরিবেশ রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা-প্লাবনে নিমজ্জিত হয়ে মৌসুমী চাষে ব্যঘাত সৃষ্টি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে পার্বত্য পাহাড়ি ঢালু ভুমি প্লাবিত হয় না এবং সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক নিরাপত্তা ও যোগাযোগের সূচকও বৃদ্ধি পেয়েছে। সূতরাং চাষের নিরাপদ পরিবেশ থাকলেও বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হারাচ্ছেন টুল/ ট্যাক্স আদায়ের অনিয়মের কারণে ।

--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

আর্কাইভ