• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
বিলাইছড়িতে তিনদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ উদ্বোধন                    জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে রাঙামাটিতে র‌্যালি ও আলোচনা সভা                    পানছড়ি’র মুনিপুর বনবিহারে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত                    বরকলে তিন ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে স্কুল ড্রেস ও শিক্ষা উপকরণ বিতরন                    বরকলে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গবাদিপ্রাণি হৃষ্টপুষ্টকরণ                    লামায় জবাই করে গৃহবধূকে হত্যা                    জুরাছড়িতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত                    রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত                    বরকলে অাইন শৃঙ্খলা কমিটির উদ্যোগে মাসিক সভা                    বরকলে প্রগতি যুবক যুবতী কল্যাণ সমিতির প্রশিক্ষণার্থীদের সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত                    রাঙামাটির মৈত্রী বিহারে বিহারে কঠিন চীবর দানোৎসব অনুষ্ঠিত                    রাঙামাটি বি এম ইন্সটিটিউটের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত                    পাহাড়ে বাছাই করে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের হত্যা করছে সন্ত্রাসীরা                    সভাপতি আজমীর, সম্পাদক বাদল পুনঃ নির্বাচিত                    রাঙামাটিতে শেখ রাসেল স্মৃতি নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত                    জুরাছড়ি সুবলং শাখা বন বিহারে কঠিন চীবর দান উৎসব অনুষ্ঠিত                    পানছড়ি’র শান্তিপুর অরন্য কুটিরে কঠিন চীবর দান অনুষ্টিত                    রাঙামাটি ধনপাতা বৌদ্ধ বিহারে কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপিত                    পাহাড়ে সন্ত্রাসে যারাই জড়িত তাদের অবশ্যই চিহ্নিত করে খুঁজে বের করা হবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী                    পার্বত্যাঞ্চলে সন্ত্রাস জঙ্গী মাদক নির্মুলে পরিকিল্পিত অভিযান পরিচালনা করা হবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী                    রাঙামাটিতে জীবন এর উদ্যেগে হাত ধোয়া দিবস পালিত                    
 

দেড়যুগ পরও এমপিও হয়নি ঘাগড়া কলেজটি,মানবেতর জীবনযাপন করছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা

বিশেষ প্রতিনিধি : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 18 Jul 2019   Thursday

দীর্ঘ দেড় যুগ পরও এমপিও ভুক্তি করা হয়নি রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া কলেজটি। কলেজের শিক্ষক কর্মচারীরা এ দেড় যুগেরও বেশী বেতন ভাতা ছাড়া মানবেতর জীবন যাপন করছেন।


চলতি বছর নিবন্ধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকার ঘাগড়া কলেজে একজন ইংরেজী, একজন সমাজ বিজ্ঞান ও একজন পদার্থ বিজ্ঞানের প্রভাষক নিয়োগ দেয়। এদেরও কোন বেতন ভাতা নেই।


২০০১ সালে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী প্রয়াত কল্পরঞ্জন চাকমার প্রচেষ্টায় কলেজটি প্রতিষ্ঠার লাভ করে। অনেক স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা করে কলেজটি। কিন্তু কল্পরঞ্জনের মন্ত্রীত্ব চলে যাবার পর কোন সরকারই ফিরে তাকায়নি কলেজটির দিকে।


২০০৪ সালে কলেজটি একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করলেও হয়নি এমপিও। ফলে মানবেতর জীবন যাপনের পথ দীর্ঘ হয় কলেজের শিক্ষক কর্মচারীদের। অনেকে চাকুরী ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে।


কলেজ সূত্র জানায়, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত কলেজে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসা শিক্ষা বিভাগের নিয়মিত অনিয়মিত মিলে বর্তমানে ছাত্রছাত্রী রয়েছে প্রায় ৫ শ জন। শিক্ষক রয়েছে ১৫ জন। কর্মচারী রয়েছে ১০ জন।

 

বাংলা বিভাগের শিক্ষিকা শিল্পী চাকমা বলেন, খুব কষ্ট হয়। আশায় আশায় এত বছর ধরে শিক্ষকতা করে যাচ্ছি কিন্তু প্রাপ্তির ফলাফল শূণ্য। ইসলামী ইতিহাস সংস্কৃতি শিক্ষক চায়না চাকমা বলেন, মাঝে মাঝে খুব হতাশা কাজ করে। কলেজের ছেলে মেয়েদের মুখ দেখে অনেকটা দায় নিতে কলেজটিতে পড়ে আছি। এতবড় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মনে হয় যেন অবহেলার দৃষ্টিতে দেখা হয়। এমপিও হলে আমাদের মাঝে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরবে। সে আশায় দিন পার করছি। শিক্ষকদের সমস্যাগুলো প্রভাব পড়ে শিক্ষার্থীদের উপর।


মানবিক বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্রী টুম্পা চাকমা বলেন, স্যারদের মনে আনন্দ দেখলে ভাল লাগে। আমরা জানি, স্যারেরা বেতন ছাড়াই শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছেন। কিন্তু এভাবে কতদিন? তারা যদি সরকারী কিছু সুবিধা পায় তাতে আমাদের উপকার হবে। গাড়িভাড়ার অভাবে অনেক স্যার কলেজে আসতে পারেন না এমনও তথ্য আমাদের কানে আসে।


মানবিক বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র আসাদুল ইসলাম বলেন, কলেজটি এমপিও না হওয়ায় আমাদের ক্ষতি হচ্ছে। জাতীয় মহিলা দলের ফুটবলার মনিকা চাকমাও আমাদের কলেজের ছাত্রী।

 

কলেজের অধ্যক্ষ শ্যামল মিত্র চাকমা বলেন, তৎকালীন প্রথম পার্বত্যমন্ত্রী কল্পরঞ্জন চাকমা অনেক স্বপ্ন নিয়ে কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। শুরু থেকে কলেজের দায়িত্ব নিয়ে ছিলাম। অনেক স্বপ্ন দেখেছি। ২০২২ সালে অবসরে চলে যাব। আমরা দীর্ঘ বছর ধরে কলেজটি এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করে যাচ্ছি কিন্তু দুর্ভাগ্য, হয়নি। সর্বশেষ ২০১৮ সালে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন ফরম পুরণ কওে জমা দিয়েছি। কলেজের অবকাঠানো স্বয়ং সম্পূর্ণ। এমিপও হলে কলেজে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরবে।


এমপিও ভুক্তি না হওয়ায় শিক্ষকদের রাখা সম্ভব হয় না। যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বেতন ভাতা না পাওয়ায় তারাও ক্লাশ নিতে আসে না। চাপ দিতে পারি না। যেন সবার মাঝে হতাশা কাজ করছে। সবকিছু মিলিয়ে ঝিমিয়ে পড়ার অবস্থা। এ থেকে উত্তোরণের একমাত্র উপায় এমপিওভুক্তি করা। প্রধানমন্ত্রী সদয় হলে কলেজটি এমপিও ভুক্তি হবে। দুর্গম এলাকার অনেক ছেলে মেয়ে পড়াশুনার সুযোগ পাবে।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

 

আর্কাইভ