• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
Request For Quotation Notice                    ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান                    ফারুয়া থানা পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার                    Vendor Enlistment Notice                    জেলা পর্যায়ে আঞ্চলিক পরিষদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় সভা                    দরপত্র বিজ্ঞপ্তি                    রাঙামাটিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত                    বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রইফের সমাধিতে বিজিবির মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পন                    রাঙামাটিতে টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ                    পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হওয়ার আহবান                    আগামী ক্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জেএসএস অংশ নিচ্ছে                    রাঙামাটিতে মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ও ডিপ্লোমা ফার্মামিষ্টদের কর্মবিরতি পালন                    ৯৯নং রাঙামাটি আসনের বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ানের মতবিনিময় সভা                    নবাগত জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়                    শিক্ষক নিয়োগে কোটা বৈষম্যের প্রতিবাদে রাঙামাটিতে বৃহস্পতিবার থেকে ৩৬ ঘন্টার হরতাল                    তরুণ কবি ম্যাকলিন চাকমার একগুচ্ছ কবিতা                    সাজেকে মোবাইল নেটওয়ার্ক ফের চালুতে স্বস্তি                    চ্যাম্পিয়ন বিলাইছড়ি রাইংখ্যং একাদশ                    ফেন্সি স্কিন কেয়ার প্রোডাক্টস’র রাঙামাটিতে গ্র্যান্ড ওপেনিং                    বিলাইছড়িতে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উদযাপিত                    খাগড়াছড়ির অনন্য এক প্রাথমিক শিক্ষক রুপা মল্লিক,যাঁর পথচলার বাঁকে বাঁকে শ্রম আর সাফল্য                    
 
ads

দীঘিনালায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধানাগার কেন্দ্র চালু হয়নি এক দশকেও

স্টাফ রিপোর্টার,খাগড়াছড়ি : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 24 Apr 2019   Wednesday

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলা সদরে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষে ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধানাগার কেন্দ্রটি  চালু হয়নি এক দশকে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর-এর উদ্যোগে নির্মিত শোধানাগারটি  নির্মাণকালীন সময় থেকেই কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠায় অনেকটা কাজ অসমাপ্ত রেখেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিল পরিশোধ করার অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের পক্ষে শোধনাগারটি যথাসময়ে যথাযথ তদারকি, রক্ষণাবেক্ষন এবং সংস্কার না করায় কেন্দ্রটি অনেকটা পরিত্যক্ত প্রতিষ্ঠানের রুপ পেয়েছে।

 

নির্মাণের এক দশক পরও কেন্দ্রটি চালু না হওয়ায় বিশুদ্ধ পানি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলা সদরের প্রায় ৩০ হাজার বাসিন্দা। দীর্ঘদিনেও শোধানাগারটি চালু না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

 

সরকারি অর্থের এমন অপচয়ের কারণে নষ্ট হয়ে গেছে শোধানাগারের অনেক যন্ত্রাংশ । এজন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অনিয়ম ও গাফিলতিকে দুষলেন জনপ্রতিনিধিরা। রক্ষনাবেক্ষনের অবহেলার কারণে অনেক যন্ত্রপাতি চুরি হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় শ্যাওলা ধরেছে পানি শোধানাগারে পাকা দেয়ালে। এছাড়া পানি শোধানগারটির চারপাশে জরাজীর্ণ অবস্থা।

স্থানীয় বাজার চৌধুরী জেসমিন চাকমা ও ব্যবসায়ী জীবন চৌধুরী উজ্জল বলেন, পার্বত্য এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট রয়েছে। বিশুদ্ধ পানির অভাবে এলাকায় পানি বাহিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। পানি শোধানাগার চালু হলে এলাকার মানুষ বিশুদ্ধ পানি পান করত। ’

 

তাঁরা বলেন, পানি শোধনাগার চালু হলে উপজেলার থানা পাড়া, মাস্টার পাড়া, টিএন্ডটি এবং সরকারি আবাসিক বাসিন্দারা বিশুদ্ধ পানি পেত। বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ না থাকায় দূরবতী নলকূপ থেকে আমাদের পানি সংগ্রহ করতে হয়। সরকারের কোটি টাকা ব্যয়ে পানি শোধানাগার কেন্দ্র চালু না হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছে জনপ্রতিনিধিরা।

 

বোয়ালখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান  চয়ন বিকাশ চাকমা বলেন, জনস্বার্থে পানি শোধানাগার কেন্দ্রটি চালু করা উচিত। পাবলিক হেলথ (জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর) এর অবহেলার কারণে কেন্দ্রটি চালু হয়নি। এতে সরকারের প্রায় কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ।

 

জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন বিদ্যুতের লো-ভল্টেজের  সংকটের কারণে শোধানাগারটি চালু না হবার অজুহাত দেখানো হতো। কিন্তু খাগড়াছড়ি সদরে একবছর আগে ১৩৩/৩২ কেভি গ্রীড সাব-স্টেশন নির্মাণের পর কোথাও বিদ্যুতের কোন সমস্যা ঘুচে গেছে। বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র স্থাপনের পর বিদ্যুতের লো-ভল্টেজের সংকট কেটে গেলেও চালু হয়নি পানি শোধানগারটি। এমনকি নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে শোধনাগারটি সরেজমিনে দেখভাল করার খবরও পাওয়া যায়নি। অথচ নির্মাণ কাজ শেষ করে টাকা তুলে নিয়েছে ঠিকাদারী  প্রতিষ্ঠান ।

 

দীঘিনালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নবকমল চাকমা বলেন, ‘পানি শোধানগারটি চালু করার জন্য একাধিকবার যোগাযোগ করেছি। বিদ্যুতের লো-ভল্টেজের অজুহাতে কেন্দ্রটি চালু করা যায়নি। তবে বর্তমানে বিদ্যুতের লো-ভল্টেজের সমস্যা নেই । তারপরও কেন্দ্রটি চালু হওয়ার ভালো কোন লক্ষণই নেই। ফলে এলাকার মানুষ বিশুদ্ধ পানি পাচ্ছে না। ’

 

পানি শোধানাগার কেন্দ্র চালু’র ব্যাপারের দায়সারা আশ্বাস দিলেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী।

 

খাগড়াছড়ি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো.সোহরাব হোসেন বলেন, ‘ শোধানাগারটি কেন্দ্রটি চালু করার জন্য ২০০৮ সালে প্রয়োজনীয় অর্থ বিদ্যুৎ বিভাগে জমা দিয়েছি। তবে লো-ভল্টেজের কারণে তা এখনো চালুনি হয়নি। তবে বর্তমানে বিদ্যুতের লো-ভল্টেজের সমস্যা নেই। অর্থ বরাদ্দ পেলে শোধানাগারের কিছু সংস্কার করে আগামী অর্থবছরে এটি চালু করা যেতে পারে। ’

 

শোধানাগারটি চালু হলে প্রতিদিন ভূগর্ভ থেকে প্রায় দুই লক্ষাধিক লিটার বিশুদ্ধ পানি পাইপে মাধ্যমে গ্রাহকদের সরবরাহ করা যাবে।  কেন্দ্রটি চালু হলে উপজেলার বিশ হাজার বাসিন্দা নিরাপদ পানি পাবে।

--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

 

 

ads
ads
আর্কাইভ