রাঙামাটিতে ঝুকিপূর্ন স্থানে বসবাসকারীরা আশ্রয় কেন্দ্রে যাচ্ছেন

Published: 09 Jul 2019   Tuesday   

টানা চার দিনের ভারী বর্ষনের কারণে রাঙামাটি শহরে বিভিন্ন স্থানে ঝুকিপূর্ন অবস্থায় বসবাসকারীরা জেলা প্রশাসনের নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিচ্ছেন। এ পর্ষন্ত ১২০ পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন।


টানা চার দিনে ভারী বর্ষনের কারণে কারণে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে উঠেছে। অনেক স্থানে মাটি ধসে গেছে। জেলা প্রশাসন ও রাঙামাটি পৌর সভার পক্ষ থেকে ঝুকিপূর্ন স্থানে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে শহরের শিমুলতলী, রুপনগর, রেডিও স্টেশন এলাকা থেকে লোকজন জেলা প্রশাসনের আশ্রয় কেন্দ্র বিএডিসি, রেডিও স্টেশন অফিস ও টেলিভিশন উপ-কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। এসমস্ত কেন্দ্রে ১২০ পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন। তবে এখনো অনেক স্থানে লোকজন ঝুকিপূর্ন অবস্থায় বসবাস করছেন। তবে বিএডিসি, রেডিও স্টেশন অফিস ও টেলিভিশন উপ-কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া লোকজন অভিযোগ করেছেন সোমবার বিকালে জেলা প্রশাসন থেকে তাদেরকে ঝুকিপূর্ন স্থান সরিয়ে নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে গেছেন। ওই দিন রাতের বেলায় আশ্রয় কেন্দ্রে শুকনা খাবারসহ কিছু খাবার দিলেও মঙ্গলবার সকালে কোন খাবার দেয়নি। ফলে তাদের ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে না খেয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে থাকতে হচ্ছে।


রাঙামাটি পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী বলেন, পাহাড়ের পাদদেশে যারা ঝুকিপূর্ন স্থানে বসবাস করে তাদেকে সচেতনা সৃষ্টি করতে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভা দুই মাস আগে থেকে উদ্যোগ গ্রহন করেছে। এসব ঝুকিপূর্ন স্থানে বসবাসকারীরা আগের চেয়ে অনেক সচেতন হয়েছে। ইতোমধ্যে ঝুকিপূর্ন স্থানে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশাকরি তারা ঝুকিপূর্নভাবে বসবাস না করে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যাবেন। তিনি আরো জানান,ঝুকিপূর্ন স্থানে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যেতে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভা যৌথভাবে কাজ করছে। আশ্রয় কেন্দ্রে আসা লোকজনদের জন্য পর্যাপ্ত খাবার রাখা হয়েছে। তাই যারা খাবার পায়নি বলছে তা অদৌ সত্য নয়।


জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মোঃ সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, এ পর্ষন্ত ১২০ পরিবার বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের প্রতি পরিবারকে ৫ কেজি করে চাউল ও শুকনা খাবার দেয়া হচ্ছে।


উল্লেখ্য, টানা বর্ষনে সোমবার রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে কলা বাগানের মালি কলোনী এলাকায় পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়ে এক শিশুসহ ২জন নিহত ও ২ জন আহত হন। গেল ২০১৭ সালের ১৩ জুন ভারী বর্ষনে ভয়াবহ পাহাড় ধসে ৫ সেনা সদস্যসহ ১২০ জনের প্রানহানীর ঘটনা ঘটে।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর

উপদেষ্টা সম্পাদক : সুনীল কান্তি দে
সম্পাদক : দিশারি চাকমা
মোহাম্মদীয়া মার্কেট
কাটা পাহাড় লেন, বনরুপা
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা।
ইমেইল : info@hillbd24.com
সকল স্বত্ব hillbd24.com কর্তৃক সংরক্ষিত