নানিয়ারচর থেকে অপহৃত ১৮ গ্রামবাসীর মধ্যে ১৫ জন মুক্তি পেয়েছে

Published: 10 Jul 2018   Tuesday   

রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা থেকে অপহৃত ১৮ গ্রামবাসীদের উদ্ধারের দাবীতে নব্য মুখোশ বাহিনী প্রতিরোধ কমিটির  ডাকে মঙ্গলবার নানিয়ারচর উপজেলায় সকাল-সন্ধ্যা সড়ক ও নৌপথ অবরোধ শান্তিপূর্নভাবে পালিত হয়েছে।

 

এদিকে নব্য মুখোশ বাহিনী প্রতিরোধ কমিটির এক প্রেস বার্তায় এলাকার জনগনের ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে অপহৃত ১৮ গ্রামবাসীর মধ্যে অপহরণকারীরা ১২ জনকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবী করেছে। তবে অপর একটি সূত্র জানিয়েছে মঙ্গলবার খাগড়াছড়ি থেকে অপহৃত আরো ৩ জনকে ছেড়ে দিয়েছে। তবে তাদের নাম জানা যায়নি।

 

জানা যায়, অপহৃত ১৮ গ্রামবাসীদের উদ্ধারের দাবীতে সকাল-সন্ধ্যা সড়ক ও নৌপথ অবরোধের কারণে নানিয়ারচরের সাথে সড়ক ও নৌ পথে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। নানিয়ারচরের রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছের গুড়ি ফেলে পিকেটিং করছে অবরোধকারীরা। এলাকায় নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

এদিকে  মঙ্গলবার নব্য মুখোশ বাহিনী প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব পরান ধন চাকমার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে এলাকার জনগণের ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে অপহৃত ১৮ গ্রামবাসীর মধ্য থেকে ইতোমধ্যে ১২ জনকে অপহরণকারীরা ছেড়ে দিতে বাধ্য হলেও  বাকী ৬ জনকে এখনো অপহরণকারীরা তাদের হেফাজতে আটকে রেখেছে।  বাকী ৬ জনকে এখনো সন্ত্রাসীরা তাদের হেফাজতে আটকে রেখেছে। তাদেরও অবিলম্বে মুক্তি দিতে তিনি আহ্বান জানান।

 

বিবৃতিতে  আরো বলা হয়, সংস্কারবাদী জেএসএস ও নব্য মুখোশ বাহিনীর সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে ও অপহৃত গ্রামবাসীদের উদ্ধারের দাবিতে মঙ্গলবার  নানিয়ারচর উপজেলায় সকাল-সন্ধ্যা সড়ক ও নৌপথ অবরোধ শান্তিপূর্নভাবে পালিত হয়েছে।

 

সন্ত্রাসীদের অপকর্মের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে  দিনদুপুরে বাজারে যাওয়া নিরীহ লোকজনকে অপহরণের মাধ্যমে তাদের গণবিরোধী ভূমিকা আরো বেশি স্পষ্ট হয়েছে। জনগণকেই এই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

 

অপর একটি সুত্র জানিয়েছে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে অপহরণকারীরা খাগড়াছড়ি  থেকে অপহৃত আরো ৩ জনকে ছেড়ে দিয়েছে। তবে বাকী ৩ জনের ভাগ্য কি জুটেছে তা জানা যায়নি।

 

উল্লেখ্য, গেল  ৪ জুলাই নানিয়ারচর বাজার থেকে ২ জন এবং ৮ জুলাই  কতুকছড়ি বাজারে আসার পথে হাতিমারা মুখ এলাকা থেকে ১৬ জন গ্রামবাসীকে অপহরণ করে একদল দুর্বৃত্তরা। এ অপহরনের জন্য ইউপিডিএফ প্রতিপক্ষ এমএন লারমা গ্রুপের জেএসএস ও গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফকে দায়ী করেছে। তবে তারা অস্বীকার করেছে।

--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

উপদেষ্টা সম্পাদক : সুনীল কান্তি দে
সম্পাদক : দিশারি চাকমা
মোহাম্মদীয়া মার্কেট
কাটা পাহাড় লেন, বনরুপা
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা।
ইমেইল : [email protected]
সকল স্বত্ব hillbd24.com কর্তৃক সংরক্ষিত