বরকলের বরুনাছড়ির স্বাস্থ্য ক্লিনিকের জরাজীর্ণ দশা,ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা

Published: 09 Jul 2018   Monday   

রাঙামাটি পার্বত্য জেলার প্রত্যন্ত দুর্গম অঞ্চল বরকল উপজেলার সুভলং ইউনিয়নের বরুনা ছড়ি স্বাস্থ্য ক্লিনিক জরাজীর্ণ হওয়ায় স্বাস্থ্য সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

 

জানা যায়, বরকল উপজেলার দুর্গম সুভলংইউপি ৯নং ওয়ার্ডের স্বাস্থ্য ক্লিনিকটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৪ সালে। প্রতিষ্ঠাকাল  থেতে এ স্বাস্থ্য ক্লিনিকটিতে  সংস্কার বা মেরামত করা হয়নি। বর্তমানে জরাজীর্ণ  অবস্থায় পড়ে রয়েছে এই স্বাস্থ্য ক্লিনিকটি। স্বাস্থ্যসেবার কোন পরিবেশ নেই বললেই চলে।

 

এলাকাবাসীদের অভিযোগ,এ স্বাস্থ্য ক্লিনিকটি প্রথমত ভাংঙ্গাচুরা দ্বিতীয়ত্ব ডাক্তার কর্মচারি কিছুই থাকেন না। তাই স্বাস্থ্যসেবা থেকে প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।অন্য দিকে ওষধপত্র কিছুই নেই ক্লিনিকটিতে। নামে মাত্র স্বাস্থ্যসেবা ক্লিনিক। কাজের বেলায় কিছু নেই বললেই চলে।

 

বরুনাছড়ির ভুক্তভোগি মো.শাহ জামাল ও মো.আজিজ জানান, ক্লিনিকটি প্রতিষ্টাকাল  থেকে এযাবৎ সংস্কার ও মেরামত করা হয়নি। অন্যদিকে এই ক্লিনিককে স্বাস্থ্যসেবা বলতে কিছুই নেই। তাই সাধারণ মানুষ ক্লিনিক থেকে মূখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এখানে সুচিকিৎসা ও ডাক্তার এবং ওষধ না পেয়ে অনেকে রাঙামাটি প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে ভীড় জমাচ্ছে।এব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন ও জন প্রতিনিধিদের কোন মাথা ব্যথা নেই বললেই চলে। ক্লিনিকটির আশপাশে রয়েছে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এধরনের একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং জনবহুল এলাকায় উন্নত মানের একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র না থাকায় স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে বিপাকে পড়েছে এলাকার মানুষ। তারা আরো বলেন,বরুনাছড়ি স্বাস্থ্যসেবা ক্লিনিকে একজন এমবিবিএস ডাক্তার,একজন মেডিকেল সহকারি,একজন ফামাসিষ্ট,একজন নার্স,একজন আয়া ও একজন নিরাপত্তা প্রহরী থাকার কথা। কিন্তু একজন মেডিকেল সহকারি আছেন তিনিও মনে চাইলে মাঝে মধ্যে আসেন। কিন্তু দেখা গেছে বেশীর ভাগ সময় বন্ধ থাকে ক্লিনিকটি।

 

বরুনাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান তরুণ জ্যোতি চাকমা বলেন,এখানে একটি সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র রয়েছে। অনেকে অভিযোগ করেছেন স্বাস্থ্য ক্লিনিকটি ঝড়াঝির্ণ ও ভাংগাচুরা। এছাড়াও সেবারমান শূণেও কোটায়। তাই স্বাস্থ্য বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ অচিরেই যেন গৃহীত ব্যবস্থা গ্রহন করা হউক। এখানে স্বাস্থ্যসেবা মারাত্নক ঝুকিতে রয়েছে। এখানে কঠিন কোন রোগ বালাই হলে রোগি তাড়াতাড়ি রাঙামাটি নিয়ে যেতে হয়।

 

সিভিল সার্জন ডা.শহীদ তালুকদার বলেন,বিষয়টি যেহেতু তিনি অবগত হয়েছে  তাই সামনে বরাদ্দ আনলে তা সংস্কার বা মেরামত করা হবে। আর ডাক্তারের বিষয়ে এ জেলাতে ডাক্তার স্বল্পতা রয়েছে যার কারনে ডাক্তার পেতে দেরী হবে। তবে বিষয়টি তদন্ত  করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

উপদেষ্টা সম্পাদক : সুনীল কান্তি দে
সম্পাদক : দিশারি চাকমা
মোহাম্মদীয়া মার্কেট
কাটা পাহাড় লেন, বনরুপা
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা।
ইমেইল : [email protected]
সকল স্বত্ব hillbd24.com কর্তৃক সংরক্ষিত