আ’লীগকে নিশ্চিহ্ন করতে আঞ্চলিক দলগুলো উঠে পরে লেগেছে--দীপংকর তালুকদার

Published: 06 Dec 2017   Wednesday   

আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার অভিযোগ করে বলেছেন, অবৈধ অস্ত্র ঠেকিয়ে ও নেতাকর্মীদের উপর হামলা করে আওয়ামীলীগকে নিশ্চিহ্ন করতে আঞ্চলিক দলগুলো উঠে পরে লেগেছে। আওয়ামীলীগ সরকারে থাকুক আর নাই থাকুক আওয়ামীলীগের আদর্শের প্রতি এখনকার সাধারণ মানুষ ভীষনভাবে আস্থা রেখেছে। তাই আওয়ামীলীগকে কখনোই নিশ্চিহ্ন করা সম্ভব নয়।

 

উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি রাসেল মারমার উপর হামলার প্রতিবাদে বুধবার বিলাইছড়িতে আয়োজিত প্রতিবাদ সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।


দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন । বিলাইছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সুরেশ কান্তি তংচঙ্গ্যার সভাপতিত্বে সমাবেশে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জমির হোসেন জমির, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য জয়সেন তংচঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অভিলাষ তংচঙ্গ্যা’সহ অন্যান্য নের্তৃবৃন্দরা বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিলাইছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এস,এম শাহীদুল ইসলাম।


সমাবেশের আগে সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার আহত রাসেল মারমাকে দেখতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখতে যান। উন্নত চিকিসার্থে তাকে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে রাসেলকে নিয়ে আসা হয়েছে।


দীপংকর তালুকদার তার বক্তব্যে আরো বলেন, আঞ্চলিক দলগুলো বুঝতে পেরেছে যতই দিন গড়াচ্ছে আওয়ামীগ ততই শক্তিশালী হচ্ছে এবং আওয়ামীগ ক্ষমতায় থাকলে তাদের এই অবৈধ অস্ত্র চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবে তাই তারা নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা মনে করি যার যার রাজনীতি সে সে করবে। সাধারণ জনগনদের বোঝানোর দায়িত্ব রাজনৈতিক কর্মীদের। তারা তাদের রাজনৈতিক আদর্শের কথা বলবেন। জনগনই সিদ্ধান্ত নেবে তারা কি করবে কি করবেনা। এভাবে সহিংস সন্ত্রাসীর মাধ্যমে জনগনকে জিম্মি করা। অবৈধ অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করা আমরা কখনো সমর্থন করিনি ভবিষ্যতেও করবো না।


দীপংকর তালুকদার আরো বলেন, তারা আওয়ামীলীগকে নিশ্চিহ্ন করতে উঠে পরে লেগেছে। কারণ আওয়ামীলীগ থাকা মানে জনগনের প্রতি তাদের ভালোবাসা এবং জনগনের আস্থা বিশ্বাস আওয়ামীলীগের প্রতি তাই এই দলকে শেষ করতেই তারা উঠে পরে লেগেছে। কিন্তু তারা নিশ্চিহ্ন করতে পারছেনা। তারা মনে করেছিলো আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা আগের মতো ভিতু রয়েছে। আগে যখনি তারা ধমক দিতো টেলিফোনে হুমকি দিতো আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা উপজেলা থেকে ভয়ে পালিয়ে জেলায় চলে আসতো। যার কারণে গত নির্বাচনে বিলাইছড়িতে আমরা মাত্র ১৫শত ভোট পেয়েছি। কিন্তু সময় পরিবর্তন ঘটছে।

 

তিনি বলেন, আগে নেতাকর্মীরা মার খেতো এবং মার খেয়ে বলতো মামলা দেওয়ার দরকার নেই। কিন্তু এখন মামলা দেওয়ার সাহস নেতাকর্মীদের মনে সঞ্চয় হয়েছে এবং মামলাও দিচ্ছে। শুধু মামলা দেয়া নয় এই যে বিলাইছড়িতে ২০১৪ সালে নির্বাচনের পর আমরা খেয়াল করছি যখনই আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের প্রতি হামলা হচ্ছে তখনই নেতাকর্মীরা জেগে উঠছে এবং প্রতিবাদ করছে। বিলাইছড়ি আওয়ামীলীগের নেতা রাসেল মারমার হামলার কারনে প্রতিবাদ করেছে নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও এখন সকলে তাদেও উপর ক্ষুব্ধ।

 

উল্লেখ্য,গেল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিলাইছড়ি নলছড়া এলাকায় দুর্বৃত্তরা আওয়ামীলীগ নেতা রাসেল মারমার উপর হামলা চালালে তিনি গুরুত্বর আহত হন। পরে তাকে নেতাকর্মীরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

উপদেষ্টা সম্পাদক : সুনীল কান্তি দে
সম্পাদক : দিশারি চাকমা
মোহাম্মদীয়া মার্কেট
কাটা পাহাড় লেন, বনরুপা
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা।
ইমেইল : [email protected]
সকল স্বত্ব hillbd24.com কর্তৃক সংরক্ষিত