• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
মাটিরাঙ্গায় পাহাড়ি ঢলে সেতু ধ্বস,১৫ গ্রামের মানুষের জীবনে অচলাবস্থা                    রামগড়ে তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং                    রামগড়ে স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত                    রামগড়ে অভিযানে ভারতীয় মদ ও ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি                    মহালছড়িতে ৩ গ্রামবাসীকে অপহরণের নিন্দা ও প্রতিবাদ ইউপিডিএফের                    রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাসিক সভা                    জুরাছড়িতে জেলা পরিষদের নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ                    রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বাঘাইছড়িতে বন্যা কবলিত স্থান পরিদর্শন                    ঈদের ছুটিতে খাগড়াছড়ির বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের ভীড়                    বাঘাইছড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে এমএন লারমা গ্রুপের জেএসএস`র এক সদস্য নিহত                    রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কে সাময়িকভাবে ভারী যানবাহন বন্ধ                    বান্দরবানের লামায় এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার                    রাঙামাটিতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য্যরে মধ্যে দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত                    পানছড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে এমএন লারমা গ্রুপের জেএসএস’র এক কর্মী নিহত                    খাগড়াছড়িতে মাসব্যাপী আম মেলা শুরু হয়েছে                    ঢাবি’র মেধাবী ছাত্র সুমন চাকমার জীবন বাঁচাতে সহায়তার কামনা                    জেলা পরিষদের বিলাইছড়িতে দুঃস্থদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ                    জেলা পরিষদের বরকলে বন্যা দুর্গতদের নগদ অর্থ ও বস্ত্র বিতরণ                    লংগদুতে দুুর্বৃত্তদের গুলিতে এমএন লারমা গ্রুপের জেএসএস’র ১ কর্মী নিহত,আহত ১                    বাঘাইছড়িতে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত,পানিতে ডুবে ১জনের মৃত্যু                    মগবানের টর্নেডোতে ৩টি বাড়ী বিধস্ত,গাছগাছালির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি                    
 

পাহাড় ধস ট্র্যাজেডীর এক বছর
স্থায়ী ব্যবস্থা না হওয়ায় ক্ষিতিগ্রস্তরা ফের হাড়ের ঢালে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে

স্টাফ রিপোটার : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 12 Jun 2018   Tuesday

বুধবার কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধস ট্র্যাজেডীর এক বছর। গেল বছর ১৩ জুন ভয়াবহ পাহাড় ধসে কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ স্থানে শিশুসহ ১৮ জনের মুত্যু হয়।

 

পাহাড় ধসে চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়িতে মোঃ সবুজ তার পিতা নুরনবী, স্ত্রী রুপসী ও ৫ বছরের শিশু রোহানকে হারিয়েছে। এরপর সরকারি ভাবে কিছু নগদ অর্থ ও টিন সহায়তা পেয়ে ধসেপড়া স্থানেই আবারও বসতঘর নির্মান করেছে। তার মতো ক্ষতিগ্রস্থ অনান্য পরিবারগুলোও পাহাড়ের ঢালে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানেই বসবাস করছে। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলকায় বসবাসকারী ৪০ পরিবারকে তখন স্থায়ীভাবে কোথাও বসবাসের বন্দেবস্ত করার জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে সুপারিশ করা হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি । ফলে পরিবার গুলোকে ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের ঢালে বসবাস করতে হচ্ছে। 

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৩ জুন ২০১৭ তারিখে ১৮ জনের মুত্যুর পর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী কয়েক’শ পরিবারকে উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অধিকাংশ পরিবারই নিজ নিজ বাসস্থানে ফিরে যায়। কিন্তু মারতœক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ৪০টি পরিবারকে কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে রেখে দেওয়া হয়। ২ জুলাই ২০১৭ তারিখ এসব পরিবারকে স্থায়ীভাবে পূর্নবাসরে জন্য উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক জরুরী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সরকারী দায়িত্বশীল কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু দূর্যোগ শেষ হওয়ার প্রায় ৩ মাস পরও ওই ৪০ পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করলেও তাদেরকে স্থায়ীভাবে বসবাসের কোন ব্যবস্থা করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। নিরুপায় হয়ে নিম্ন আয়ের এসব মানুষ বাধ্য হয়ে পুনারয় ঝুঁকিপুর্ণ এলকায় বসবাস করতে থাকে।


চিৎমরম মুসলিম পাড়ায় বসবাসকারী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, প্রতিবছর দূর্যোগপূর্ন আবহাওয়া এলেই ঝুঁকির্পূণ এলকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বাধ্য করা হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ওই পরিবারগুলো আবারো ঝুঁকিপূর্ণ এলকায় বসবাস শুরু করবে। এভাবে কতদিন চলবে? এসব পরিবারকে স্থায়ীভাবে পুর্নবাসন করা না হলে বছরের পর বছর চলতে থাকবে এ পরিস্থিতি। এটা অমানবিক বলে তিনি মন্তব্য করেন। বৃদ্ধা মঞ্জু বেগম (৫০), মোঃ নাছির (৫০), সুমি বেগম (২২) জানান, আমরা খেটে খাওয়া মানুষ। আমাদের মাথা গোঁজার কোন ঠাই নেই। দীর্ঘ ৩/৪ মাস আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার পরও আমাদের থাকার কোন স্থায়ী ব্যবস্থা করা হয়নি। আমরা কোথায় যাব? তাই ঝুঁকি সত্বেও আমরা নিরুপায় হয়ে পাাহড়ের ঢালে বসবাস করতে বাধ্য হয়েছি।


কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ দিলদার হোসেন বলেন, আমরা জেলা পর্যায়ে লেখালেখি করেছি, এসব পরিবারকে স্থায়ীভাবে পূর্ণবাসনের জন্য। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় জেলা প্রশাসন থেকে আশানুরুপ কোন সাড়া পাইনি।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ রুহুল আমীন বলেন, স্থায়ী জায়গা না পওয়ায় এসব পরিবারকে পুর্নবাসন করা সম্ভব হচ্ছে না।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

 

এই বিভাগের সর্বশেষ
আর্কাইভ